মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) ফাহিমা খাতুনের দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক তার সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ফাহিমা খাতুনের নামে ৫০ লাখ ২ হাজার ৬০১ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে, যা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া, তার নামে-বেনামে আরও সম্পদ থাকতে পারে।
দুদক মহাপরিচালক আরও উল্লেখ করেন, এ কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারার অধীনে ফাহিমা খাতুনের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি করা হয়েছে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ’s)
ফাহিমা খাতুন কারা?
ফাহিমা খাতুন হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি)।
কেন দুদক ফাহিমা খাতুনকে নোটিশ পাঠিয়েছে?
দুদক অভিযোগ পেয়েছে যে তার সম্পদ তার আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই তার সম্পদের বিবরণী চাওয়া হয়েছে।
নোটিশের মাধ্যমে দুদক কী চাচ্ছে?
দুদক ফাহিমা খাতুনকে তার সকল সম্পদের বিবরণী দাখিল করতে বলেছে।
সম্পদের অমিল কত পরিমাণে ধরা পড়েছে?
দুদকের মতে, ফাহিমা খাতুনের ৫০ লাখ ২ হাজার ৬০১ টাকার সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
নোটিশ কি আইনগত বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে?
হ্যাঁ, দুদকের নোটিশের মাধ্যমে সম্পদ বিবরণী দাখিল করা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারার অধীনে বাধ্যতামূলক।
ফাহিমা খাতুনের বিরুদ্ধে কি অন্য কোনো তদন্ত চলছে?
দুদক জানিয়েছে যে তার নামে-বেনামে আরও সম্পদ থাকতে পারে, তাই তদন্ত চলমান।
নোটিশে দাখিলের জন্য কত সময় দেওয়া হয়?
নোটিশে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ থাকে, যা অনুযায়ী ফাহিমা খাতুনকে সম্পদের বিবরণী জমা দিতে হবে।
উপসংহার
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি ফাহিমা খাতুনের সম্পদ নিয়ে দুদকের তদারকি দেশের সরকারি কর্মকর্তা ও দুর্নীতি দমন প্রক্রিয়ার গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে। দুদক তার সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিশ জারি করায় প্রমাণ হচ্ছে, সরকারি কর্মকর্তা এবং তাদের সম্পদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা কতটা জরুরি। এ ধরনের পদক্ষেপ সরকারি হিসাবরক্ষণ এবং দায়বদ্ধতার সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে বিশ্বাস ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করে।
