রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রার্থীরা শাহবাগে সমাবেশে যোগ দেন। পুলিশের সহায়তায় পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রওনা হয়।
সাক্ষাতে প্রতিনিধি দল জানান, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বিদ্যমান শূন্যপদগুলো অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা উচিত। পাশাপাশি, নীতিমালা পরিবর্তনের আগে বিষয়ভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে প্রাতিষ্ঠানিক বাধা দূর করে ১৬,২১৩ জন প্রার্থীর নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
শিক্ষাসহ সব খবর দ্রুত জানতে চাইলে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত থাকুন। নতুন ভিডিও মিস না করতে এখনই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন চাপুন। এতে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিফিকেশন চলে আসবে।
কিন্তু হাইকোর্টের আদেশ না মেনে, জাকির হোসেনের নির্দেশে পরবর্তী সার্কুলার জারি করে শত শত কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য হয়েছে। আমরা ২০২০ সালে প্রেসক্লাব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ৫৭ দিন ধরে আন্দোলন ও অনশন কর্মসূচি পরিচালনা করি।
সংকট নিরসনে বিগত দুই বছর ধরে আমরা আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছি। তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমাদের দাবি, ২০১৮ সালে বঞ্চিত প্রার্থীদের তথ্য যাচাই করে দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি (FAQ’s)
কেন শিক্ষক নিয়োগে অনেক প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন?
সীমিত শূন্যপদ, নীতিমালা জটিলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বাধার কারণে বহু প্রার্থী সুপারিশ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল কেন গঠন করা হয়েছে?
সমাবেশ থেকে সরকারের কাছে দাবিগুলো সুষ্ঠুভাবে উপস্থাপন ও আলোচনার জন্য প্রতিনিধি দল গঠন করা হয়।
প্রতিনিধি দল কোথায় স্মারক প্রদান করেছে?
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার কাছে দাবিনামা বা স্মারকপত্র প্রদান করেছে।
প্রার্থীদের প্রধান দাবি কী ছিল?
দ্রুত বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, শূন্যপদ যুক্তকরণ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়।
কতজন প্রার্থী নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন?
প্রায় ১৬,২১৩ জন বঞ্চিত প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি তোলা হয়েছে।
কবে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে?
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে শাহবাগে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উপসংহার
শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগ থেকে বঞ্চিত প্রার্থীদের দাবি এখন শিক্ষা অঙ্গনে আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। শাহবাগের মহাসমাবেশ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারক প্রদান প্রমাণ করে, প্রার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ। তাদের প্রত্যাশা ২০২৫ সালের মধ্যে দ্রুত শূন্যপদ যুক্ত করে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং ১৬,২১৩ জন বঞ্চিত প্রার্থীর নিয়োগ নিশ্চিত করা। সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপই এখন হাজারো তরুণ-তরুণীর স্বপ্ন পূরণের পথ খুলে দিতে পারে।
