সংরক্ষিত এলাকায় একসঙ্গে এতজন প্রবেশের প্রসঙ্গে সংগঠনের একজন নেতা জানান, “অনেক আত্মীয় ও শিক্ষার্থীর সহায়তায় আমরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পেরেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকে সরব থাকব না।”
বাংলাদেশ নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদের নেতারা অভিযোগ করেছেন, ২০–২৫ বছর ধরে তারা বেতন ছাড়া শিক্ষকতা করছেন। স্বীকৃতি প্রদানের সময় প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করা হলেও, এমপিওভুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি।
শিক্ষকরা আরও জানিয়েছেন, “আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বাধ্য হয়ে আজ শিক্ষা উপদেষ্টার দপ্তরের সামনে অনশনে বসতে হয়েছে।”
আরও পড়ুন: শিক্ষক-কর্মচারীরা এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনশন
শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল দাবি হলো স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্তি করতে হবে। তারা বলেন, ২০২১ সালে জারি করা অযৌক্তিক এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। তাই তাদের দাবি অবিলম্বে মেনে নেওয়া উচিত।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকুন। ভিডিও মিস করতে না চাইলে এখনই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। এতে আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ’s)
শিক্ষক-কর্মচারীরা কেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনশন করছেন?
শিক্ষক-কর্মচারীরা এমপিওভুক্তির দাবিতে অনশন করছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন এবং এখন তাদের বেতন ও স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন।
অনশনটি কোথায় এবং কখন শুরু হয়েছে?
অনশনটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দপ্তরের সামনে শুরু হয়েছে। শিক্ষকেরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এখানে অবস্থান করতে চলেছেন।
অনশন কর্মসূচিতে কতজন শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নিচ্ছেন?
সংগঠনের তথ্যানুযায়ী, অনশনে শতাধিক শিক্ষক ও কর্মচারী অংশ নিচ্ছেন, যারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি।
শিক্ষকরা কতদিন ধরে বেতন ছাড়া কাজ করছেন?
বাংলাদেশ নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদের নেতারা জানান, অনেক শিক্ষক ২০–২৫ বছর ধরে বেতন ছাড়া শিক্ষকতা করছেন।
কেন এমপিওভুক্তি গুরুত্বপূর্ণ?
এমপিওভুক্তি শিক্ষকদের বেতন নিশ্চিত করে এবং তাদের সামাজিক নিরাপত্তা দেয়। এছাড়া এটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি স্বীকৃতির জন্যও অপরিহার্য।
শিক্ষকদের দাবিগুলো কি এখনো মানা হয়েছে?
এখন পর্যন্ত শিক্ষকদের দাবিগুলো সম্পূর্ণভাবে মেনে নেওয়া হয়নি। তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশনে থাকবেন।
২০২১ সালে এমপিও নীতিমালার কারণে কী সমস্যা তৈরি হয়েছে?
শিক্ষকরা বলছেন, ২০২১ সালে জারি করা অযৌক্তিক এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। ফলে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
উপসংহার
শিক্ষক-কর্মচারীদের অনশন তাদের দীর্ঘদিনের অবহেলিত দাবি এবং এমপিওভুক্তির অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতীক। তারা নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি এবং বেতন নিশ্চিত করার জন্য সচিবালয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছেন। ২০২১ সালের অযৌক্তিক নীতিমালা ও জনবল কাঠামোর কারণে বহু শিক্ষকের ওপর বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে, যা সমাধান হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
