মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।
মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত ৬ অক্টোবর মাউশির মহাপরিচালক পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখানে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ১৬তম ও তদূর্ধ্ব ব্যাচের কর্মকর্তাদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্তসহ অফলাইনে আবেদন করতে বলা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, প্রার্থীদের হতে হবে সৎ, দায়িত্বশীল, প্রশাসনিক দক্ষ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর থেকে এ পদে একাধিকবার পরিবর্তন হয়েছে। অধ্যাপক এ বি এম রেজাউল করীমের অবসরের পর দায়িত্ব পান রসায়নের অধ্যাপক এহতেসাম উল হক। কিন্তু শিক্ষকদের আন্দোলনের পর তাঁকে মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই ওএসডি করা হয়।
এরপর জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খানকে মাউশি অধিদপ্তরের ডিজি (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ’s)
মাউশি অধিদপ্তরের ডিজি কে ছিলেন?
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর মহাপরিচালক ছিলেন।
তাঁকে কবে ওএসডি করা হয়েছে?
২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে ওএসডি করা হয়।
ওএসডি বলতে কী বোঝায়?
ওএসডি বা Officer on Special Duty অর্থ হলো বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা—যিনি কোনো নির্দিষ্ট দপ্তরে কাজ না করলেও পদ ও বেতন বজায় থাকে।
কেন আজাদ খানকে ওএসডি করা হয়েছে?
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে, তবে আনুষ্ঠানিক কারণ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়নি।
নতুন মাউশি ডিজি নিয়োগ কবে দেওয়া হবে?
৬ অক্টোবর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে।
কে মাউশির নতুন মহাপরিচালক হতে পারেন?
বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের ১৬তম এবং তদূর্ধ্ব ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচিত হবেন।
ডিজি নিয়োগের জন্য কী যোগ্যতা প্রয়োজন?
প্রার্থীদের হতে হবে সৎ, দায়িত্বশীল, প্রশাসনিক দক্ষ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ।
উপসংহার
মাউশি অধিদপ্তরের ডিজি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খানকে ওএসডি করা শিক্ষা প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে মাউশির নেতৃত্বে ঘনঘন পরিবর্তন প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার প্রশ্ন তুললেও, আশা করা যায় আগামী নিয়োগে একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা এই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
