বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব জাহিদ আহসান মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে নিজের ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করেন, “শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি. আর. আবরার একের পর এক নির্বিকার মনোভাব দেখাচ্ছেন, শিক্ষা খাতে কোনোরূপ পরিবর্তন আনতে পারছেন না এবং শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। এইভাবে তিনি নিজেকে অযোগ্য প্রমাণ করছেন।”
জাহিদ আহসান আরও বলেন, একজন শিক্ষক হওয়ার পরও আবরার শিক্ষকদের সঙ্গে অবহেলা এবং লাঞ্ছনার আচরণ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সময়ও এই অবহেলা আমরা লক্ষ্য করেছি। গত তিন দিন ধরে আমাদের শিক্ষকরা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করলেও শিক্ষা উপদেষ্টা নির্বিকার ছিলেন।
শিক্ষাসহ সব গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল আইকনে ক্লিক করুন, যাতে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন সরাসরি আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে পৌঁছে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ’s)
জাহিদ আহসান কার প্রতি মন্তব্য করেছেন?
জাহিদ আহসান বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব হিসেবে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি. আর. আবরার সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন।
জাহিদ আহসানের মন্তব্যের মূল বক্তব্য কী?
তিনি বলেছেন যে, শিক্ষা উপদেষ্টা নিজের নির্বিকার মনোভাব ও কর্মদক্ষতার অভাবের মাধ্যমে নিজেকে অযোগ্য প্রমাণ করছেন।
এই মন্তব্য কোথায় প্রকাশিত হয়েছে?
জাহিদ আহসান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি-তে এই মন্তব্য প্রকাশ করেছেন।
কেন জাহিদ আহসান শিক্ষাকে অযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন?
শিক্ষা খাতে কোনো পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হওয়া, শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করতে না পারা এবং শিক্ষকদের সঙ্গে অবহেলা ও লাঞ্ছনার আচরণের জন্য।
জাহিদ আহসান কি কোনো বিশেষ ঘটনা উল্লেখ করেছেন?
হ্যাঁ, তিনি মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সময়ও শিক্ষার উপদেষ্টার নির্বিকার মনোভাব লক্ষ্য করেছেন।
এই মন্তব্য শিক্ষকমণ্ডলীতে কেমন প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে?
এটি শিক্ষকমণ্ডলীর মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং নেটিজেনদের মধ্যে সমালোচনারও জন্ম দিয়েছে।
বাগছাস কী?
বাগছাস হলো বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উপসংহার
জাহিদ আহসানের মন্তব্য আমাদের শিক্ষা খাতের দুর্বল দিকগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি. আর. আবরারের কর্মকাণ্ড ও নির্বিকার মনোভাব শিক্ষকদের প্রতি অবহেলা এবং সংস্কার আনার অক্ষমতার প্রতিফলন। এই সমালোচনা শিক্ষানীতি ও প্রশাসনে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে। সঠিক পদক্ষেপ না নিলে শিক্ষা খাতে উন্নয়ন সীমিত থাকবে, তাই আলোচিত বিষয়টি শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।
